ক্রীড়া প্রতিবেদক: নাহিদের মতে, লিটনের ইনিংসটিই ছিল ম্যাচে ফেরার জন্য বাংলাদেশের টার্নিং পয়েন্ট। এ ছাড়া লোয়ার অর্ডারে শরিফুল ইসলামের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ের প্রশংসাও করেছেন নাহিদ। শরিফুল করেছিলেন ৩০ বলে ১২ রান। তিনি অপরাজিতই ছিলেন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ বলেন, ‘আমি বলব লিটন দার ব্যাটিং, শেষের দিকে তাইজুল ভাই, তাসকিন ভাই, শরিফুল ভাইয়ের ব্যাটিং। বোলিং তো আলহামদুলিল্লাহ ভালো খেলেছি। লিটন দার হান্ড্রেড না হলে ব্যাকফুটে থাকতাম। তাই আমি মনে করি টার্নিং পয়েন্ট ছিল তার হান্ড্রেড।
বাবরকে আউট করার আগের বল দেড়শ গতিতে ছিল। পরের বলে গতি কমিয়ে দিলেন রানা, ‘কোয়ালিটি বা যেকোনো ব্যাটারকে বল করতেই কিছু ভিন্নতা রাখলে ব্যাটার অস্বস্তিতে ভোগে। সেই চেষ্টাই করেছি, কাজে দিয়েছে।’
শেষদিকে পেসাররা থাকলে সাজিদ ছক্কা কম মারত কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘তাইজুল ভাই চেষ্টা করেছে, তিনটা উইকেটও পেয়েছে। সাজিদ ভাইও ভালো বাউন্ডারি মেরেছে। ঠিকই আছে… ডু অর ডাই। চেষ্টা করছে, হিট হয়েছে- ঠিক আছে। এমন হয়।’
ফিটনেসের ছবি ভাইরাল নিয়ে রানা বলেন, ‘স্পোর্টসম্যান হিসেবে ফিটনেস আমার রুটিন। ক্রিকেট যেহেতু বেছে নিয়েছি, এটার জন্য আমার যা যা করা লাগে করতে হবে। নিজের সাথে আপোষ করি না, ফাঁকি দেই না। চেষ্টা করি নিজের এফোর্ট ও ফিটনেস সবসময় হাই লেভেলে রাখার।’
নিজের বোলিং নিয়ে পরে রানা বলেন, ‘যখনই অধিনায়ক বলে যে বোলিং করবা, তার একটু আগে এসে ওয়ার্ম আপ করি। যাতে শরীরটা ভালোমতো গরম হয়ে যায় এবং ম্যাচের ভেতরে গিয়ে আর ওয়ার্ম আপ করা লাগে না।’