• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি পটুয়াখালীতে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু চাঁদপুরের মেঘনায় ইলিশ শিকারে দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ: তিয়ানজিনে শিক্ষামন্ত্রী

বাংলার স্বাধীনতা বিরোধী পাক বাহিনীর দোসর মোনায়েম খান

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর আবদুল মোনায়েম খান পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর অন্যতম প্রধান দেশীয় দোসর ও সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।
​
পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হিসেবে মোনায়েম খানের ভূমিকা:
​সামরিক জান্তাকে সমর্থন: মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই তিনি পাকিস্তান সরকার ও জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সিদ্ধান্তগুলোকে সমর্থন দেন এবং বাঙালিদের ওপর চালানো নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
​অপশক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা: পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার দোহাই দিয়ে গঠিত শান্তি কমিটি এবং পাকিস্তানপন্থী মনোভাবাপন্ন গোষ্ঠীগুলোকে সংগঠিত করতে তিনি নেপথ্য পরামর্শক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেন।
​মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের পরাধীনতা থেকে মুক্তির সংগ্রামকে তিনি ‘ভারতের চক্রান্ত’ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী ও দুষ্কৃতকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে অপপ্রচার চালান।
​পাকিস্তানি বাহিনীর নিরাপদ আস্তানা: ঢাকায় তার বনানীর বাসভবনে পাকিস্তানি বালুচ রেজিমেন্টের সেনাদল দিয়ে সার্বক্ষণিক কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তার এই বাসভবন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় দালালদের যোগাযোগের অন্যতম নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
​
গেরিলা অভিযানে গাদ্দার মোনায়েম খানের পরিণতি
​মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বিরোধিতা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর শীর্ষ সহযোগীদের একজন হওয়ায় ২ নম্বর সেক্টরের ক্র্যাক প্লাটুনের মুক্তিযোদ্ধারা তাকে নির্মূলের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৭১ সালের ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কড়া সামরিক পাহারা ভেদ করে ঢাকার বনানীস্থ বাসভবনে ঢুকে কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক তাকে গুলি করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোনায়েম খানের মৃত্যু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category