• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি পটুয়াখালীতে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু চাঁদপুরের মেঘনায় ইলিশ শিকারে দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ: তিয়ানজিনে শিক্ষামন্ত্রী

সকল প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার ও উপযোগিতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য : তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিরভাগ প্রকল্পে ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার একটি অনৈতিক চর্চা দেখা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণকে ককরোচ (তেলাপোকা) বলে গালি দিতে পারেন, কিন্তু তাদেরকে বোকা মনে করার কোনো কারণ নেই। জনগণ সব বুঝে।’

প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের শতভাগ আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় মাথায় রাখতে হবেÑ প্রথমত, সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট যুক্ত করা; দ্বিতীয়ত, বাকি কাজটুকুকে সময়সীমার মধ্যে ভাগ করে ফেলা। জাতীয় অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রকল্পগুলোর গতিশীলতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরির প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, ‘সকল প্রকল্পের অগ্রগতি যেন আমরা রিয়েল টাইমে দেখতে পাই, সেজন্য একটি ড্যাশবোর্ড করা যেতে পারে। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নতুন কাজের জন্য অপেক্ষা না করে সমান্তরালভাবে সব কাজ এগিয়ে নিতে হবে। যাতে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোনো সম্পদ বা অবকাঠামো অব্যবহৃত পড়ে না থাকে। মান বজায় রেখে সঠিক সময়ে ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জনগণ এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকরি সেবা প্রত্যাশা করে। প্রধানমন্ত্রী ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। তাই কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটা বড় প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নকশা এমনভাবে করা উচিত, যাতে এর বহুমাত্রিক সুফল একই সাথে পাওয়া যায়।’

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও উপযোগিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ্ আলমসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, প্রকল্প পরিচালক এবং পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category