• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি পটুয়াখালীতে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু চাঁদপুরের মেঘনায় ইলিশ শিকারে দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ: তিয়ানজিনে শিক্ষামন্ত্রী

কলা নাকি খেজুর, কোনটি বেশি উপকারী?

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

শৈলী ডেস্ক; কলা ও খেজুর দুই-ই স্বাস্থ্যকর। এ দুটি ফল শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি। অন্যদিকে খেজুরে থাকে প্রাকৃতিক চিনি, আঁশ (ফাইবার), আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। এছাড়া খেজুরে ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি, তাই এটি শক্তির উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে কাজ করে।

শক্তি বাড়াতে
যদি দ্রুত শক্তি বাড়াতে চান, তাহলে খেজুর খান। এতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ দ্রুত শরীরে শক্তি জোগায়। অন্যদিকে কলা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে।

হজমের জন্য
খেজুরে উচ্চমাত্রার ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। কলা, বিশেষ করে সামান্য কাঁচা অবস্থার কলা, অন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে
কলা তুলনামূলক কম ক্যালোরিযুক্ত এবং দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি ভালো বিকল্প। খেজুর পুষ্টিকর হলেও এর মিষ্টি স্বাদ ও বেশি ক্যালোরির কারণে সহজেই বেশি খেয়ে ফেলার ঝুঁকি থাকে।

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায়
কলা ও খেজুর উভয়েই হার্টের জন্য উপকারী। কলা উচ্চ পটাশিয়ামের কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। খেজুর কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্‌যন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে
খেজুরের গ্লাইসেমিক লোড বেশি, তাই অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। কলার গ্লাইসেমিক সূচক মাঝারি, তাই যারা রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category