• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি পটুয়াখালীতে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু চাঁদপুরের মেঘনায় ইলিশ শিকারে দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ: তিয়ানজিনে শিক্ষামন্ত্রী

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার কিম জং উনের

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

আস্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন চীনের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠক ছিল একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সি চিনপিংকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় কিম বলেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া পিয়ংইয়ংয়ের ‘অটল অবস্থান’ বজায় রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।

বার্তায় কিম বলেন, ‘দীর্ঘ ইতিহাস ও সমাজতন্ত্রকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠা উত্তর কোরিয়া-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের দল ও সরকারের অটল অবস্থান।’

সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠক আমাদের মধ্যে কমরেডসুলভ বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বাস আরও গভীর করার একটি ঐতিহাসিক উপলক্ষ ছিল।’

একই সঙ্গে তিনি জানান, দুই নেতা ঐতিহ্যবাহী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তাদের ‘অটল অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

কিম আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া-চীনের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক’ আরও এগিয়ে নিতে তিনি সি চিনপিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি এ সম্পর্ককে ‘দুই দেশের জনগণের যৌথ সম্পদ’ বলে আখ্যা দেন।
কয়েক সপ্তাহ আগে সি চিনপিং বিরল এক সফরে পিয়ংইয়ং যান। সেখানে দুই নেতা সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেন। রাশিয়ার সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পর্কও রয়েছে।

শীর্ষ বৈঠকে কিম ও সি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ভাষায় একটি ‘সুদূরপ্রসারী রূপরেখা’ গ্রহণ করেন।

পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে ‘সবচেয়ে শক্তিশালী ও কৌশলগত সম্পর্কে’ উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সি কূটনৈতিক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করারও আহ্বান জানান।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার জন্য সেনা ও অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং মস্কোর আরও ঘনিষ্ঠ হলেও, চীন এখনও উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অংশীদার।

দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থ ও অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯৮ শতাংশই ছিল চীনের সঙ্গে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category