• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : রাষ্ট্রপতি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি : রহমানেল মাছউদ অনিয়মের পাহাড় মাথায় নিয়েও ১৮ দিনের ‘ম্যাজিক’: ওএসডি ভেঙে স্বপদে প্রকৌশলী শাহজাহান বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আনসার-ভিডিপির ৮ নতুন স্থাপনা উদ্বোধন, আধুনিকায়নে নতুন মাত্রা গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল : ডা. জাহেদ সরকারের ৬ মাস/ বড় সাফল্য হচ্ছে জনসম্পৃক্ততা: মাহদী আমিন বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য: সালেহ শিবলী

টেকসই উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি: মন্ত্রী

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ক্ষয়রোধী উপকূলীয় অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, টেকসই ও নিরাপদ উপকূলীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে আইইবি’র ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশে ক্ষয়রোধী উপকূলীয় অবকাঠামো এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল উদ্বোধন ও সনদ প্রদান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপকূলীয় এলাকার ক্ষয় যেমন ঘটছে, তেমনি লবণাক্ত জল প্রবেশ করছে নানা জায়গায়। এতে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। সমুদ্র দূষণ হচ্ছে এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, পুকুর এবং জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এছাড়াও ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করবে বলে জানান মন্ত্রী।

পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করতে হলে কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট রুলস এবং স্পেশাল ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান তৈরি করা দরকার। এখানকার কৃষিজমি সুরক্ষায়ও আইন প্রণয়ন করা দরকার। ভূগর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করা প্রয়োজন। অন্তত উপকূলীয় এলাকায় একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি, যেখানে বসবাসরত মানুষ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উভয়েরই উন্নয়ন হবে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আইইবি ও রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম, আইইবি’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকন এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. বেলাল হোসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category