• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের দিলেন দেশ গড়ার বার্তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা: রাষ্ট্রপতি কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় ১৭৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি পটুয়াখালীতে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু চাঁদপুরের মেঘনায় ইলিশ শিকারে দায়ে ৩০ জেলের কারাদণ্ড ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ: তিয়ানজিনে শিক্ষামন্ত্রী

কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৪৪৫

Reporter Name / ২২২ Time View
Update : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে ও কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, মাঠ, পরিত্যক্ত, নির্জন স্থানসহ কিশোরদের আড্ডার সম্ভাব্য জায়গায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে আড্ডারত ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিশোরদের শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় আনা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় ২৯৩ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

অপরদিকে, অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জনকে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, অভিযান শেষে অভিভাবকদের থানায় ডেকে সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তানরা কখন, কোথায় এবং কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে ফিরছে কি না, সেদিকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনা, চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে নজরদারি করতে এবং তাদের মাদক ও অপরাধপ্রবণ পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে শুধু পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category