• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সকলকে সজাগ থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ২৫ হাজার লিটার গ্যাস মজুত করায় তিনজনের কারাদণ্ড লক্ষ্মীপুরে গাড়িচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, পরিবারের শোকের মাতম এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন জাতীয় হকির যমজ বোন জেডি ভ্যান্সের চিঠি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করেছে ইরান: আরাঘচি তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার পাশে থাকবে: ববি হাজ্জাজ চট্টগ্রামের বড় সাজ্জাদের সহযোগী নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার এইচএসসির ফলে বড় ধস, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ দুই-ই জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বড় সাজ্জাদের সহযোগী নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১০ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের আলোচিত ও পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী সানিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ অনুসন্ধান, অবস্থান শনাক্তকরণ ও নিবিড় নজরদারির পর নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেপ্তার সানি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার সাতবসু এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. মালেক। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় বসবাস করতেন।

জেলা পুলিশ জানায়, সানি বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী। আগে বিদেশে থাকলেও বড় সাজ্জাদের নির্দেশনায় গত বছর দেশে ফিরে চট্টগ্রামে আসেন তিনি। এরপর থেকে চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। বড় সাজ্জাদ ও বোরহানের হয়ে বিভিন্ন অপরাধ পরিচালনা করতেন তিনি। বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন সানি। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাকে। এই চক্রের সদস্যরা প্রভাব বিস্তার ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের চেষ্টা করতেন।

চাঁদা দাবির পর নির্ধারিত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে কিংবা চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হলে সানির নির্দেশে স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানো হত।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, সানির বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় পৃথক দুটি মামলা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি ঘটনার অডিও রেকর্ডও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এসেছে। অডিও রেকর্ডসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category